আতিকুল্লাহসহ দুই জঙ্গির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

চার দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার আসামিদের আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের পরিদর্শক মো. কামরুজ্জামান। আতিকুল্লাহ ও বোরহান উদ্দিন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন তিনি।

আরেক আসামি মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন ওরফে শামীমের ফের সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মাসুদ উর রহমান দুই আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়। আর নাজিম উদ্দিনের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন একই বিচারক।

ঢাকার মহানগর পুলিশের অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগ থেকে জানা যায়, আতিকুল্লাহ স্বীকার করেছেন যে, তিনি ১৯৯২ সালে মিয়ানমারে যান এবং রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র গ্রুপে যোগ দিয়ে যুদ্ধ করেন। ১৯৯৭ সালে তিনি পাকিস্তান থেকে টিমসহ আফগানিস্তানে যান। সেখানেও সশস্ত্র গ্রুপে যোগ দিয়ে যুদ্ধ করেন এবং মোল্লা ওমর ও ওসামা বিন লাদেনের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

আতিকুল্লাহ দীর্ঘদিন দুবাইয়ে পলাতক থেকে পুনরায় বাংলাদেশে এসে তাদের সংগঠনের পুরাতন সদস্য বোরহান উদ্দিন ও নাজিম উদ্দিনসহ পলাতক আসামিদের সাথে যোগাযোগ করে নতুন সদস্য সংগ্রহ করে সংগঠনের কার্যক্রম চালু করার মাধ্যমে অস্থিতিশীল করার লক্ষ্যে কার্যক্রম করে আসছেন।

৩ অক্টোবর রাতে রাজধানীর নিকুঞ্জ এলাকায় একটি মসজিদের মাঠে অভিযান চালিয়ে আতিকুল্লাহ, বোরহান উদ্দিন ও মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন ওরফে শামীমকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই দিনই তিনজনকে চার দিনের রিমান্ডে আদালত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *