আপনার টাকা স্ক্যামারের নিয়ন্ত্রণে!

ক্রাইম নিউজ সার্ভিস, এম এ মোমেন ॥ ‘স্ক্যাম’ শব্দটি বাংলা একাডেমির ইংরেজি-বাংলা অভিধানে এখনো জায়গা করে নিতে পারেনি, যদিও টাকার বাজারে স্ক্যাম বহুল ব্যবহূত শব্দ। অক্সফোর্ড অ্যাডভান্সড লার্নার্স ডিকশনারি স্ক্যাম মানে লিখেছে ‘টাকা বানাবার ধূর্ত ও অসৎ পরিকল্পনা’।

বেশ ক’বছর আগে বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি টাকা বানানোর মেশিনসহ ধরা পড়েছিলেন এবং খবরের কাগজে মেশিনসহ তার ছবিও ছাপা হয়েছিল। স্ক্যামের ক্ষেত্রে টাকাটা নিজস্ব মেশিন দিয়ে বানানো নয়; রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ কর্তৃত্বাধীনে তৈরি আপনার পকেটের টাকা।

ক্যামব্রিজ ইংলিশ ডিকশনারি লিখেছে: স্ক্যামার হচ্ছেন এমন একজন, যিনি অবৈধ পদ্ধতিতে বিশেষ করে মানুষকে ধোঁকা দিয়ে টাকা বানান।

আপনার উপার্জিত ও সঞ্চিত টাকার ওপর আপনার কতটা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে একটু ভেবে দেখতে পারেন।

আপনার টাকা যা আছে তা-ই থাকুক, এটা আপনি অবশ্যই চান না; আপনি জানেন মুদ্রাস্ফীতি ঘটবে, আপনি জানেন বিশ্ববাজারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে টাকার অবমূল্যায়ন করতে হবে— আপনার টাকা তখন এমনিই কমে যাবে। আপনি ১০ টাকায় একটি মোরগ কিনে না খেয়ে টাকাটা যত্ন করে রেখে দিলেন। অনেক দিন পর যখন আপনার মোরগ খেতে ইচ্ছে হলো, দশ টাকা নিয়ে বাজারে গিয়ে দেখলেন দশ টাকায় মোরগের একটা ছবি পাওয়া যাচ্ছে। সুতরাং সময়মতো টাকা কাজে লাগাতে হবে। আপনি টাকা কাজে লাগাতে চান, আপনি আপনার টাকা বাড়াতে চান।

স্ক্যামার জানে আপনি কী চান।

আপনি চান আরো টাকা, আরো টাকা, আরো এবং আরো। এই আরোর যে কোনো শেষ নেই, এটা স্ক্যামারও জানে।

স্ক্যামারের প্রথম লক্ষ্য আপনার পকেটের টাকা। স্ক্যামার ও সহযোগী স্ক্যামাররা দুর্দান্ত স্বপ্নবাজ। অনাহূত হলেও স্ক্যামার যখন আপনার সান্নিধ্যে আসবে, আপনি অভিভূত হবেন, টাকার স্বপ্ন আপনার মধ্যে সঞ্চারিত হবে, আপনি আরো টাকার স্বপ্ন দেখবেন। আপনার সামান্য বিনিয়োগ যেখানে আপনাকে সোনালি ভবিষ্যতের গ্যারান্টি দেয়, আপনি কোন দুঃখে টাকা পকেটে রাখবেন।

ততক্ষণে আপনি এতটাই মোহিত যে, আপনার টাকা নিয়ন্ত্রণ করার ভার আপনার অজান্তে স্ক্যামারের কাছে চলে যায়। শুধু পকেটের টাকা নয়, আপনার ফিক্সড ডিপোজিট, আপনার সঞ্চয়পত্র এবং ভবিষ্যতে আপনার বাবার ভিটে বিক্রির টাকায় আপনার হিস্যা সবই চলে গেছে তার নিয়ন্ত্রণে।

বিভিন্ন লেবাসে স্ক্যাম হাজির হয়, উদ্দেশ্য একটাই— আপনার টাকা হাতিয়ে নেয়া।

সেকালে যুবক বা ডেসটিনি নামধারী সংস্থা সৃষ্টি হয়নি। এমনকি পাকিস্তান আমলেও এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের নাম একটু ভিন্নভাবে শুনেছি; হায় হায় কোম্পানি।

ব্যাংকের দশ গুণ সুদ (ধর্মপ্রাণ গ্রাহক ধরার জন্য তাদের বলত এটা সুদ নয়, লাভ) দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বহুজনের টাকা নিয়ে অফিসের দরজায় ভারী তালা ঝুলিয়ে নতুন যুগের ব্যাংকাররা কেটে পড়েছেন। বড় সুদ কিংবা লাভের আশায় মাটির ব্যাংক ভেঙে সারা জীবনের সঞ্চয় কিংবা গরু-বাছুর বেচা টাকা যারা তুলে দিয়েছেন, তাদের এখন মাথায় হাত। ১৯৬৮ কিংবা ১৯৬৯-এর একটি দৈনিকের মফস্বল পাতার একটি সংবাদ শিরোনাম এখনো আমার বেশ মনে আছে; নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জেও হায় হায় কোম্পানি।

যুবক নামের সংগঠনটি ১৯৯৪ সালে মাঠে নামে। প্রতিষ্ঠানের পুরো নাম যুব কর্মসংস্থান সোসাইটি। পত্রিকার পুরো পাতায় সংস্থার আগমন বার্তা এবং বিজ্ঞাপন সবার চোখ ধাঁধিয়ে দিয়েছে, বেকার যুবসমাজ তখন এমন কথাও শুনেছে, লাখ লাখ টাকা খরচ করে মধ্যপ্রাচ্যে গনগনে রোদে মজুর খাটার কি দরকার, চাকরি দেবে বাংলাদেশের যুবক, পুঁজি লগ্নি করলে সবচেয়ে বেশি লাভ দেবে যুবক। দেশে সত্যি সাড়া পড়ে গেছে— এর আছে মাল্টি লেভেল মার্কেটিং; এর বাণিজ্য অন্তত কাগজ-কলমে ছড়িয়েছে টেলিকম, হাউজিং রিয়েল এস্টেট, ট্যুরিজম, সিরামিক, সামুদ্রিক মাছ নার্সারি, এগ্রো বায়োটেক ইন্ডাস্ট্রি। পুঁজি ব্যবস্থাপনা, বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন সর্বত্র। বিশ্বাস করবেন না— করিয়ে ছাড়বে। শুরুতে কোনো রেজিস্ট্রেশন ছিল না, ১৯৯৭-তে জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে রেজিস্টার্ড হয়। তারপর কেবল টাকার ছড়াছড়ি। প্রায় তিন লাখ মক্কেলের কাছ থেকে যুবক তুলে নিয়েছে ২ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা (দ্য ডেইলি স্টার ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭)। তারপর যা হওয়ার— মক্কেলদের মাথায় হাত/২০০৬ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক যুবকের আর্থিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। ২০০৯ নাগাদ যুবক বোর্ড ও ব্যবস্থাপনার কেউ কেউ গ্রেফতার হয়। কেউ কেউ পালিয়ে যায়। যাদের মাথায় হাত, তাদের হাত আর নামেনি।

২০০৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে আমি সমাজসেবা অধিদপ্তরে কর্মরত ছিলাম। যুবকের একজন উপদেষ্টা সাবেক সিএমপি সচিব ও একজন কর্মকর্তা এলেন মহাপরিচালকের সঙ্গে দেখা করতে। মহাপরিচালক তখন সম্মেলন কক্ষে অন্য একটি সভায় ছিলেন বলে সম্ভবত অন্তর্বর্তী সময়টা কাটানোর জন্য আমার কক্ষে এলেন। আমি সবিনয়ে তাকে বললাম, আপনার মতো বড় বড় কর্মকর্তাদের নাম দেখে সাধারণ মানুষ সহজে প্রতিষ্ঠানকে বিশ্বাস করে এবং ক্ষুদ্র সঞ্চয়টুকু দিয়ে দিতে দ্বিধা করে না। কিন্তু যখন তারা প্রতারিত হয়, তখন তো আপনাদের দেখাই পাবে না।

তিনি বললেন, আমার দায়িত্ব খুব কম। আমি তো অ্যাডভাইস করি। কাগজে-কলমে-লেনদেনে আমাকে ধরতে পারবে না।

তার মানে তিনি নিজেও সন্দিহান ছিলেন যে, লেনদেনে ধরার মতো কিছু রয়েছে। কিন্তু তার পরও তিনি যুবকের পক্ষে কিছু সুপারিশ করতে এসেছেন।

যুবক ধরনের প্রতিষ্ঠান বড় মাপের অবসরপ্রাপ্ত বেসামরিক, সরকারি কর্মকর্তা ও সামরিক কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিয়ে থাকে যতটা না প্রতিষ্ঠানের প্রোফাইল ভারী করতে, তার চেয়ে বেশি সরকারি দপ্তরে আটকে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের অনুমোদনের নথি ছাড়িয়ে আনতে। চাকরিতে জ্যেষ্ঠতার অগ্রাধিকার ফলিয়ে তারা কিছু কাজ করিয়েও নিয়ে যান। সরকারের বড় বড় পদগুলোয় অধিষ্ঠিত থাকার পর তারা যখন তাদের পদ ও মর্যাদার সঙ্গে সম্পূর্ণ অসঙ্গতিপূর্ণ এক ধরনের দালালি করতে শুরু করেন, তা তাদের জন্য না হলেও সিভিল ও মিলিটারি সার্ভিসের জন্য গ্লানিকর। যুবকের যে উপদেষ্টার কথা বলেছি, শেষ পর্যন্ত তিনি টিকতে পারেননি, পদত্যাগ করেছেন।

ঠিক একইভাবে হৈ হৈ রৈ রৈ করে ডেসটিনির আত্মপ্রকাশ ঘটে ২০০০ সালের ডিসেম্বরে। সর্ববৃহৎ কোম্পানি ২০১২-এর জুন নাগাদ ৪৫ লাখ ডিস্ট্রিবিউটর। নিজস্ব কর্মচারীর সংখ্যা
৩ হাজারের কাছাকাছি— ডেসটিনির আওতায় অনেক কোম্পানি অর্গানিক সার থেকে শুরু করে ডিজিটাল বাংলাদেশ— কী নেই এজেন্ডায়।

তখন আমি যেহেতু বিমান সংস্থায় কর্মরত, ডেসটিনির পক্ষ থেকে একজন গুরুত্বপূর্ণ প্রতিনিধি এলেন এবং বললেন, তারাও একটি এয়ার লাইন খুলতে চাচ্ছেন, আলাপ-আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে, শেষ সময়ে তারা আমার পরামর্শ গ্রহণ আবশ্যক মনে করছেন। আমাকে এ গুরুত্বটুকু দেয়ার জন্য আমি ধন্যবাদ দিয়ে সবিনয়ে বলি, এটা মোটেও সমীচীন হবে না। এয়ারলাইনস খোলা ও চালানো খুব বড় ধরনের ক্যাপিটাল ইনটেনসিভ হাই রিস্ক বিজনেস। সরকার পেছনে আছে বলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস টিকে আছে; যে ক’টা দেশীয় এয়ারলাইনস ছিল, সবই পুঁজিপাটাসহ বিলীন হয়ে গেছে, আমি তখন আরো বলি এমনকি জিএমজিও হাবুডুবু খাচ্ছে। দয়া করে এয়ারলাইনস খোলার এই দুঃসাহসী কাজটি করবেন না। তাছাড়া তখন জেট ফুয়েলের দামও আকাশছোঁয়া।

আমার ফ্রি পরামর্শ কোনো কাজে লাগেনি। ক’দিনের মধ্যেই ডেসটিনির এয়ারলাইন ক্রয় ও শিগগির দেশীয় ও আন্তর্জাতিক রুটে আকাশ যোগাযোগ শুরুর সংবাদ খবরের কাগজে পড়লাম। ডেসটিনিতে কর্মরত অথবা ডেসটিনির সঙ্গে যুক্ত একজনকে বলতে শুনলাম, বাংলাদেশ বিমান নিউইয়র্ক রুট বন্ধ করে ভালোই করেছেন, এটা আমরাই আবার শুরু করব। সে সময় এয়ারলাইন ক্রয় আমার কাছে মনে হয়েছে ধ্বংসের আমন্ত্রণ। একজন সাবেক সেনাপ্রধান ডেসটিনির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন, ডেসটিনি ঘিরে বহু ধরনের সংবাদ— অবিশ্বাস্য সংখ্যক বৃক্ষরোপণের সংবাদ বিচলিত করে। সাড়ে ১৭ লাখ গ্রাহকের ২ হাজার ৪৩৩ কোটি টাকা তসরুপের খবরও পত্রিকায় ছাপা হয়।

যাদের কষ্টের টাকা ফিরে পাওয়ার আর সম্ভাবনা নেই, তাদের জন্য যত বড়ই প্রতিষ্ঠানই, যত বড় নির্বাহী প্রধানই সেখান থাকুন, এটা হায় হায় কোম্পানি ছাড়া আর কি?

হালের সবচেয়ে বড় স্ক্যামটির নাম ওয়ানএমডিবি। এক নম্বর মালয়েশিয়ান ডেভেলপমেন্ট বোর্ড। প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের পৃষ্ঠপোষকতায় সৃষ্ট ওয়ানএমডিবির কোনো খোড়ল দিয়ে ১১ বিলিয়ন ডলার বেরিয়ে গেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র সুনির্দিষ্টভাবে সাড়ে ৪ বিলিয়ন ডলার পাচার নিশ্চিত করেছে। নাজিব রাজাকপুত্র রিজা মক্কেল ও রাষ্ট্রের টাকায় হলিউডের ফিল্মপাড়া বেবারলি হিলসে বাড়ি কিনেছে, ৩৫ মিলিয়ন ডলারে কিনেছে ক্লদ মনের একটি পেইন্টিং এবং সাড়ে ৫ মিলিয়ন ডলারে ভ্যান গখের একটি পেইন্টিং, ৩৫ মিলিয়ন ডলারে বোম্বার্ডিয়ার জেট। প্যারিস হিলটন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওদের সঙ্গে পার্টি দিয়ে খরচ করে অনেক মিলিয়ন ডলার। ছেলের রুচি আছে বটে। ওয়ানএমবিডিও এখন হায় হায় কোম্পানি।

নাইজেরিয়ায় মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ স্কিম বিশ্বব্যাংকের দোহাই দিয়ে বিশাল নেটওয়ার্ক খুলে বসেছিল। তারা প্রত্যন্ত অঞ্চলে জানিয়ে দেয় বিশ্বব্যাংক বিনা জামানতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ের জন্য ব্যক্তিপর্যায়ে ঋণ দিচ্ছে। ঋণ প্রক্রিয়াকরণ ফি ১ হাজার নায়রা (খুব বেশি নয়, ১ নায়রা বাংলাদেশী ২৩ পয়সার সমান)। বেশ জমে ওঠে ঋণের খেলা।

অনেক ক্ষয়ক্ষতির পর বিশ্বব্যাংক জানিয়ে দেয়— তারা মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভ স্ক্রিমের সঙ্গে নেই এবং ঋণ প্রদান করার বিশ্বব্যাংক কাউকে কোনো আবেদন করতেও বলেনি।

ভারতে ২৭২০০০ আমানতকারীর অর্থ নিয়ে আমানাথ কো-অপারেটিভ ব্যাংক যখন ডুবতে বসেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এটির কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। অনেক দরকষাকষির পর সংশ্লিষ্ট ব্যাংক আমানাথ কো-অপারেটিভ ব্যাংকের দায়িত্বভার নিতে রাজি হয়েছে।

ওদিকে রাজস্থানের আদর্শ-মোদি গ্রুপ মেরে দিয়েছে সমবায়ের ১ হাজার ৬৬৫ কোটি রুপি।

পাকিস্তানের জনভোগান্তির স্ক্যাম মুনাফা নেটওয়ার্ক মার্কেটিং। ভারত ও বাংলাদেশেও প্রতারণার উত্তম প্রক্রিয়া এমএলএম মাল্টিলেভেল মার্কেটিং। ভারতীয় আদালত এমএলএম নিষিদ্ধ করেছেন।

বাংলাদেশে সোনালী, জনতা, বেসিক, ফারমার্স— এসব ব্যাংকের হাজার হাজার কোটি বেরিয়ে যাওয়ার কথা তো অজানা নয়। যে বাংলাদেশ ব্যাংক সবার পাহারাদার, সেই কর্তাদের নেশার ঘোরে রেখে ৮১ মিলিয়ন ডলার বের করে নিয়েছে স্ক্যামাররা।

বড় বড় ব্যাংকের ব্যাপার সরকার দেখুক, ব্যক্তি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী স্ক্যামারের পাল্লায় পড়েছেন কিনা, তা বোঝার প্রধান মাপকাঠি একটিই: প্রস্তাবটি কি বেশ লোভনীয়।

প্রস্তাবটি যদি সাধারণ লোভনীয় কিংবা লাভজনক মনে হয়, তাতে মূলধন মার যাওয়ার আশঙ্কা করে।

কিন্তু যদি বেশি লাভজনক হয়, নিশ্চিত থাকতে পারেন এটি একটি স্ক্যাম, কেবল আপনার পকেটের টাকা নয়, বাপ-দাদার ভিটে-বাড়ি বেচা টাকাও যাবে।

স্ক্যামারদের লুটপাটে সরকারকে গালাগাল দিয়ে খুব বেশি লাভ নেই, কারণ স্ক্যামাররা সব আমলেই সরকারের ঘনিষ্ঠজন।

কোম্পানির মুদ্রিত প্রোফাইল, ওয়েবসাইট ইত্যাদিতে যা লেখা তার অনেকটাই ভুয়া, মক্কেলদের নিয়ে এ ধরনের কোম্পানির সম্মেলনে যা শোনাবে, তার বড় অংশই মিথ্যে। দেশের অর্থনীতিতে কিছু অবদান রাখতে চাইলে এমএলএম ধরনের বেচাকেনায় না জড়িয়ে উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত হোন। নিজের টাকার নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে রাখুন। আকর্ষণীয় ও লোভনীয় সব আর্থিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করুন।

এই সংক্রান্ত আরো নিউজ

Leave a Comment