সমালোচনার মুখে ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাস’ ফের সম্পাদনার সিদ্ধান্ত

বাংলাদেশ ব্যাংক

বৃহস্পতিবার দৈনিক খোলা কাগজের প্রথম পাতায় ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাস বইতে পাকিস্তানের ভূত- ঠাঁই পাননি বঙ্গবন্ধু, আছে স্বৈরাচার আইয়ুব খান’ এবং পত্রিকাটির অনলাইন সংস্করণে, ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাস বইয়ে পাকিস্তানের ভূত- দুরবিনেও মেলে না প্রধানমন্ত্রী ও আ.লীগের অবদান’ শীর্ষক দুটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদন প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ২০১৭ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থের সমালোচনা শুরু হয়।

এর প্রেক্ষিতে ব্যাংকের বিবৃতিতে বলা হয়, “গ্রন্থটি প্রকাশনার পরপরই এতে কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যত্যয় পরিদৃষ্ট হলে বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর গ্রন্থটির বিতরণ বন্ধ করার নির্দেশ দেন এবং গ্রন্থটি রিভিউ করার জন্য একজন ডেপুটি গভর্নরের নেতৃত্বে একটি রিভিউ কমিটি গঠন করেন।”

এতে আরও বলা হয়, এখন পর্যন্ত রিভিউ কমিটির নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত হল-

> ২০১৮ সালের অগাস্ট মাসে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রবেশ দ্বারে (সোনালি গেইটে) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের যে আবক্ষ ভাস্কর্য স্থাপিত হয়েছে তার ছবিসহ গ্রন্থটিতে জাতির জনকের অবদানের যে ধারাবাহিক বর্ণনা (পৃষ্ঠা ৫১, ৭৭ ইত্যাদি) রয়েছে সেখানেও তার ছবি সংগ্রহ করে সেগুলো সন্নিবেশ করা হবে।

> গ্রন্থটির অ্যালবাম অনুচ্ছেদে বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত বিভিন্ন টাকার নোটের ছবি সংযোজন করা হবে।

> গ্রন্থটির সকল অধ্যায় পুনরায় সম্পাদিত হবে এবং কম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ও ছবি বাদ দেওয়া হবে।

২০১৩ সালে সাবেক গভর্নর আতিউর রহমানের দায়িত্বকালে গ্রন্থটির পাণ্ডুলিপি তৈরি ও প্রকাশনার সিদ্ধান্ত হয়। এ বিষয়ে উপদেষ্টা কমিটি ও সম্পাদনা নামে দুটি কমিটি গঠিত হয়। পাণ্ডুলিপি চূড়ান্ত করার পর ২০১৭ সালে ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয় ‘বাংলাদেশ ব্যাংকের ইতিহাস’।

গত ২৫ মার্চ অনুষ্ঠানিকভাবে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন বর্তমান গভর্নর ফজলে কবির।

গ্রন্থ সম্পাদনার দায়িত্বে বেশ কয়েকবার রদবদল হয়। সর্বশেষ এই দায়িত্বে ছিলেন ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র শুভংকর সাহা। এর আগে দায়িত্ব পালন করেছেন আরেক নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মাহাফুজুর রহমান; দুজনই বর্তমানে অবসরে আছেন।

এই সংক্রান্ত আরো নিউজ

Leave a Comment