মাদারীপুরে দুই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

gang rapes

ক্রাইম নিউজ সার্ভিস: মাদারীপুর সদর উপজেলায় দুই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ করেছে তাদের পরিবার। চিকিৎসকেরা বলেছেন, তাদের একজনের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার আগে ধর্ষণের ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না। এই ঘটনায় দুই তরুণকে আটক করা হয়েছে।

নিহত দুই স্কুলছাত্রীর নাম সুমাইয়া আক্তার (১৪) ও হ্যাপি আক্তার (১৪)। তাদের দুজনের বাড়ি মাদারিপুরর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর গ্রামে। তারা মোস্তফাপুর বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ১৮ থেকে ২০ বছরের চার তরুণ বৃস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে মুমূর্ষু অবস্থায় দুই কিশোরীকে হাসপাতালে নিয়ে এসে তারা বিষ খেয়েছে বলে জানায়। এর পর বিকেল পৌনে ৫টার দিকে হ্যাপি মারা যাওয়ার পর ওই চার তরুণ পালিয়ে যায়। পরে ছয়টার দিকে সুমাইয়াও মারা যায়। সন্ধ্যার দিকে রফিক শিকদার ও শিপন শিকদার নামে দুই তরুণ হাসপাতালে এসে নিহত দুজনের ব্যাপারে খোঁজ করলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাদের আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। নিহত দুই কিশোরীর পরিবারের দাবি, এই দুই তরুণ নিহত দুই কিশোরীকে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করতো।

নিহত সুমাইয়ার বাবা বিল্লাল শিকদার ও হ্যাপির মা মুক্তা বেগম বলেন, হ্যাপি ও সুমাইয়া আজ বেলা ৩টার দিকে প্রাইভেট পড়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। তাঁরা দাবি করেন, সুমাইয়া ও হ্যাপিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মাদারীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) রফিকুল ইসলাম রাজিব বলেন, নিহত দুই কিশোরীর মুখে বিষের আলামত পাওয়া গেছে। তবে সুমাইয়ার শরীরে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর বলা যাবে তাদের ধর্ষণ করা হয়েছে কি-না।

Please follow and like us:
0

Related posts

Leave a Comment